• ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র উদ্যোগে থানায় থানায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

    ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ বুধবার চাল, ডাল, পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাগুলো হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি এবং গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সরকারের গণবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র উদ্যোগে থানায় থানায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।বাড্ডা থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল বাড্ডা লিংক রোড থেকে শুরু হয়ে বাড্ডা সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এজিএম শামসুল হক, মোঃ আবুল হোসেন, মাফুজুর রহমান চেয়ারম্যান, তহিরুল ইসলাম তুহিন, মাহবুব আলম শাহীন, আব্দুল কাদের বাবু, মিরাজ উদ্দিন বাদল, আব্দুল কাদির, তাজুল ইসলাম, আলী হোসেন চেয়ারম্যান প্রমুখ। মিছিলে থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।পল্লবী থানা বিএনপি একটি মিছিল কমিশনার মোঃ সাজ্জাদ ও বুলবুল মল্লিকের নেতৃত্বে শুরু হয়। মিছিলে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ সোহরাব হোসেন, আবুল কালাম, আমান উল্লাহ আমান সহ বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।খিলক্ষেত থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত। মিছিল ৩০০ ফিট বসুন্ধরা কনভেনশন হলের সামনে থেকে শুরু হয়ে খিলক্ষেত ফ্লাইওভারের নিচে এসে শেষ হয়। মিছিলে থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।শেরে বাংলা নগর থানা বিএনপির একটি মিছিল সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, শাহ আলম, তোফায়েল আহম্মেদ, আব্দুল কাদের লবু, নাছির, শামীম, ফরিদ, ফারুক, সোহেল সহ থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি স্কয়ার হাসপাতালের সামনে থেকে শুরু হয়ে সমরিতা হাসপাতালের সামনে গিয়ে পুলিশি বাঁধায় পন্ড হয়ে যায়।মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল আনন্দ বিদ্যালয় হতে শুরু হয়ে শিশু মেলায় এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন আলহাজ্ব বজলুর রহমান ও আলমগীর হোসেন লাবু। আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ হারুন, মুরাদ কাদের, মোঃ সাইদ, সিরাজুল ইসলাম, রাজু ভান্ডারী সহ বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।উত্তরখান থানা বিএনপির একটি মিছিল বেপারী রোড থেকে শুরু হয়ে চৌরাস্তা গিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন আহসান হাবিব মোল্লা। বিক্ষোভ মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীর বেপারী, মুকুল সরকার, নুরুজ্জামান নুরু, রুস্তম আলী, নুরুজ্জামান সরকার, সবুজ মিয়া, রায়হানুল বাছেদ, এস.এইচ খোকা, নজরুল, গাজী আব্বাস, মোমেন বেপারী, আফজাল মোল্লা, মোঃ রাহিম, আজিম, শহীদুল, মোঃ জনি, রিপন সরকার, আবু কালাম, মজিবুর রহমান, এনামুল, আকরাম, সাব্বির সহ থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।বিমানবন্দর থানা বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বিমানবন্দর বাজার থেকে শুরু করে চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। আরও উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ দেলোয়ার, মোঃ জুলহাজ, মোঃ লিটন সহ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।তেজগাঁও থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এল, রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন মজিবুর রহমান কাজী, ইঞ্জিনিয়ার আরজু, আবু জাফর পাটয়ারী বাবু, শাহ আলম হাওলাদার, রিপন টগর, হাজী বাবু, সোহেল, জামান হোসেন, রুবেল মামুন, জুয়েল সহ থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মিছিলটি বিজয় স্মরণী সড়কে অনুষ্ঠিত হয়।উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এম,এ মনির হাছান এর নেতৃত্বে ডি.পি.এস স্কুলের সামনে থেকে শুরু হয়ে রাজউক স্কুলের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন এস.এম হান্নান মিলন, মোঃ জাহিদ মাষ্টার, মোঃ বিল্লাল, জিয়া, প্রিন্স, মাহিদ, মাসুম, আলম, লুৎফর সহ বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।    উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল মোঃ মতিউর রহমান মতির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরা ৪নং সেক্টর থেকে শুরু হয়ে কিছুদূর অগ্রসর হলে মিছিলটি পুলিশী বাঁধায় পন্ড হয়ে যায়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন আকরাম শুভ, সুমন হোসেন, মোঃ লিয়াকত হোসেন খন্দকার সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল মোঃ আফাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আবদুল্লাহপুর থেকে শুরু হয়ে ১০ নম্বর সেক্টরে এসে শেষ হয়। এসময় থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির আরেকটি মিছিল হাজী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জাকিরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আলাউদ্দিন, জামাই মোস্তফা, আনোয়ার, শাকিল, মজনু, শাহআলম সহ থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মিছিলটি উত্তরা ১০নং সেক্টর থেকে শুরু হয়ে চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়।উত্তরা পশ্চিম থানার আরেকটি মিছিল হাজী দুলালের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি হাউজ বিল্ডিং থেকে শুরু হয়ে ৪নং সেক্টরে এসে শেষ হয়। মিছিলে থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।উত্তরা পশ্চিম থানার বিক্ষোভ মিছিল মোস্তফা কামাল হৃদয়ের নেতৃত্বে সাইদগ্রান থেকে হাউজ বিল্ডিং পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন মনছুর আহমেদ, মোঃ সুমন, তোজাম্মেল হক সোহাগ, নাছির সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।শাহআলী থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি রাইনখোলা বাজার থেকে শুরু হয়ে ১নং মিরপুর ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন এস.এস কায়সার পাপ্পু, শাহজামাল বাচ্চু, শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, হানিফ মিয়া, মোঃ হিমেল, খোকন গুলশের, মোঃ মনির সহ থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।মিরপুর থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এস.এ ছিদ্দিক সাজু ও দেলোয়ার হোসেন দুলুর নেতৃত্বে প্রশিকা ভবনের সামনে থেকে শুরু করতে গেলে পুলিশী বাঁধায় তা পন্ড হয়ে যায়।রূপনগর থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রূপনগর আবাসিক এলাকা থেকে শুরু হয়ে দুয়ারী পাড়া গিয়ে শেষ হয়। উপস্থিত ছিলেন আব্দুল আউয়াল, ইঞ্জিঃ মজিবুল হক, এস,এম মজিবুর রহমান, আমজাদ হোসেন মোল্লা, আলী আহমেদ রাজু, হাসান রানা, হাফিজ আহমেদ, কামাল হোসেন সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।দারুস সালাম থানা বিএনপির একটি মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ মাসুদ খানের  নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি দিয়াবাড়ি বাসষ্ট্যান্ড থেকে মাজার রোডে এসে শেষ হয়। মিছিলে হাজী আব্দুর রহমান, হাফিজুল হাসান শুভ্র, আলমগীর হোসেন ভুট্টু, হুমায়ুন কবির সহ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহন করে।দারুস সালাম থানা বিএনপির আরেকটি মিছিল এইচ.এম ইমরান, মোঃ ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি দিয়াবাড়ি বাসষ্ট্যান্ড থেকে মাজার রোডে এসে শেষ হয়। এতে থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহন করে।ভাষানটেক থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল কচুক্ষেত বাজার এর সামনে থেকে শুরু করতে গেলে পুলিশী বাঁধায় মিছিলটি পন্ড হয়ে যায়। মিছিল থেকে একজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।দক্ষিণখান থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল হাজী ক্যাম্প থেকে শুরু হয়ে বিমান বন্দর ষ্টেশনের নিকট আসলে পুলিশি বাঁধায় পন্ড হয়ে যায়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আমিরুল ইসলাম বাবুল, আমানউল্লাহ আমান, জাহাঙ্গীর আলম, মোখলেস দুলাল, জিয়া, গিয়াস, আলী হোসেন, রাজ সহ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।দক্ষিণখান থানা বিএনপির আরেকটি মিছিল দক্ষিণখান বাজার থেকে মোল্লারটেক পর্যন্ত গেলে পুলিশী বাঁধায় মিছিলটি পন্ড হয়ে যায়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন মোঃ ইসমাঈল হোসেন, আলী আকবর আলী, দেওয়ান মোঃ নাজিম উদ্দিন, বাবলু, শাহজালাল সহ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।তুরাগ থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল আবু তাহের খান আবুলের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে আরো অংশগ্রহণ করে ওমর আলী, রেজাউল করিম, মিছির আলী, আব্দুল আউয়াল, মোয়াজ্জেম, বকুল সহ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মিছিলটি ৫নং সেক্টর থেকে শুরু হয়ে ২নং সেক্টরে পৌঁছালে পুলিশী বাঁধায় মিছিলটি পন্ড হয়ে যায়।রামপুরা থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সাইফুর রহমান মিহিরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে আরো অংশগ্রহণ করে জহিরুল ইসলাম ভূইয়া জহির, আরসাদুল আরিফ ডল, মোর্শেদ আলম বাবু, আমজাদ হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবিব সহ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মিছিলটি ৫নং সেক্টর থেকে শুরু হয়ে ২নং সেক্টরে পৌঁছালে পুলিশী বাঁধায় মিছিলটি পন্ড হয়ে যায়।বিক্ষোভ মিছিল সফল করায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি এম.এ কাইয়ুম এবং সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান সর্বস্তরের নেতকর্মীদেরকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান।

  • তারেক রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

    বেগম খালেদা জিয়ার জেষ্ঠ্যপুত্র বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, একুশে টেলিভিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালামসহ চারজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আজ অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত। আজ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা এ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য আগামী ১৫ জানুয়ারি দিন ঠিক করে আদেশ দিয়েছে। আসামিদের মধ্যে জামিনে থাকা একুশে টেলিভিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম আজ অভিযোগ গঠনের শুনানিতে হাজির ছিলেন। এ মামলার বাকি তিন আসামি তারেক রহমান, একুশে টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক মাহাথীর ফারুকী খান ও সিনিয়র প্রতিবেদক কনক সারওয়ার পলাতক রয়েছেন। তাদের উপস্থিতিতে মামলার বিচার চলবে বলে আইনজীবীরা জানায়। ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে তারেক রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আদালত। তাদের মধ্যে আবদুস সালাম ছাড়া বাকি তিনজন পলাতক। এ মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত ২৩ অক্টোবর পলাতক তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি লন্ডন থেকে তারেক রহমানের দেয়া বক্তৃতা একুশে টিভি সরাসরি সম্প্রচার করলে পরদিন তারেক রহমান ও একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান আবদুস সালামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চায় তেজগাঁও থানা পুলিশ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তেজগাঁও থানার এসআই বোরহান উদ্দিন ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গতবছর ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশের গোয়েন্দা পরিদর্শক এমদাদুল হক। সেখানে তারেক ও সালামের সঙ্গে মাহাথীর ফারুকী খান এবং কনক সারওয়ারকেও আসামি করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, লন্ডন থেকে তারেক রহমানের দেয়া বক্তৃতা সরাসরি সম্প্রচারের করে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি প্রদর্শন, আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা তৈরি করতে চেয়েছিলো। উল্লেখ্য, তারেক রহমান বিগত নয় বছর ধরে পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। মুদ্রাপাচারের একটি মামলায় হাইকোর্ট গতবছর তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদ- দিয়েছে।

  • তারেক রহমানের ৫৩তম জন্ম দিন উদযাপন

    ফরিদপুরের মধুখালীতে বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী দল (বিএনপি)র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩তম জন্ম দিন উপলক্ষে  মধুখালী উপজেলা বিএনপি পৃথক ভাবে উদযাপন করেছে। সোমবার  সন্ধ্যায়  মধুখালী রেলগেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ রাবিক হোসেন চৌধুরী ইরানের সভাপতিত্বে ও যুবনেতা মোঃ কামরুজ্জামান মিন্টুর সঞ্চালনায় আলোচনা ও দোয়ার অনুঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম আবুল, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক  বাবলু কুমার রায়,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হায়দার আলী মোল্যা, পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন আহম্মদ সতেজ,যুবনেতা মোঃ শরিফুল ইসলাম ফকির,মোঃ ইয়াসিন বিশ্বাস ও মোঃ ইকবাল হোসেনসহ প্রমুখ।   আলোচনা শেষে দোয়া ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে শেষ হয় ।অপরদিকে  মধুখালী রেলগেট উপজেলা যুবদলের কার্যালয়ে জেলা বিএনপির  সদস্য মৃধা বদিউজ্জামান  বাবলুর সভাপতিত্বে এবং মেহেদী হাসান মুন্নুর সঞ্চালনায়  বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ আব্দুল আলমি মানিক,উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক মো ঃ নুর নবী মিয়া,উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের  সিনিয়র সহসভাপতি আঃ সালাম বিশ্বাস,যুবনেতা কাজী মামুন হোসেন, জেলা  ছাত্রদল সদস্য মোঃ জহিরুল ইসলাম লিটন ও মিজানুর রহমান প্রমুখ। আলোচনা শেষে তারেক রহমানের ৫৩তম জন্ম দিনের কেক কাটা হয়।

  • সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে ওয়ার্কার্স পার্টির মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রংপুরে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে এক মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর সভাপতি কমরেড আবুল হোসাইন। বক্তব্য রাখেন পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য কামরূল আহসান, ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক কিশোর রায়, মহানগর নেতা জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, কৃষক নেতা মোস্তফা আলমগীর রতন, খেতমজুর নেতা জাকির হোসেন রাজু, নারী নেত্রী শিউলী শিকদার, শ্রমিকনেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, গৃহ শ্রমিকনেতা মুর্শিদা আখতার, যুবনেতা সাদাকাত হোসেন বাবুল, ছাত্রনেতা এমরান প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন, রংপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ী ঘরে পরিকল্পিতভাবে আগ্নিসংযোগ ও ভাঙ্গচুর ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, “ফেসবুকে” কথিত পোস্ট দেয়ার নাম করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর এই আক্রমণ সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি তৈরির চক্রান্ত। ইতোপূর্বেও কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস, নাসির নগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ী ঘরে তান্ডব চালানোসহ বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক হামলা চালানোর জন্য পরিকল্পিতবাবে “ফেসবুক গল্প” সৃষ্টি করা হয়েছে। হামলার সাথে যুক্ত হোতাদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার শাস্তি প্রদানের আহ্বান জানানো হয়। রংপুরের সলেয়াস বাজারের ব্রাহ্মণ পাড়া হিন্দুদের বাড়ী-ঘরে আক্রমণ ও জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনাটিও একই ষড়যন্ত্রের কেন্দ্র থেকে উৎসারিত। এই ঘটনায় জামাত-শিবিরের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি সামনে এসেছে। দেশে একটি সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি তৈরি করে রাজনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে যারা তৎপর তারাই এই ঘটনার সাথে জড়িত। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘর-বাড়ীতে সন্ত্রাসী হামলা ও অগ্নিসংযোগকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের আহ্বান জানান। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমালের নিরাপত্তা প্রদান ও এলাকায় সৃষ্ট ভয়ার্ত অবস্থা দূর করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনে সহায়তাদানে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

  • বিএনপি ই প্রথম প্রতিহিংসার রাজনীতি চালু করে : হানিফ

    বিএনপিই এ দেশে প্রথম প্রতিহিংসার রাজনীতি চালু করেছিল। ২০০১ সালে তারা ক্ষমতায় আসর পর জার করে সরকারী কর্মকর্তাদের অবসরে এবং চাকরী থেকে বরখাস্ত করেছিল। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদাক মাহবুব উল আলম হানিফ আজ কুষ্টিয়া সরকারী কলেজে নব-নির্মিত শেখ হাসিনা হলের উদ্ধোধনকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।   রবিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামীলীগকে প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা সংক্রান্ত বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ দেশের জনগণ জানে ২০০১ সালে তারা ক্ষমতায় আসার পর কিভাবে জোর করে সরকারি কর্মকর্তাদের অবসরে দিয়েছিল, আওয়ামীমনা সরকারি কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছিল। তিনিই প্রথম এ দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি চালু করেছিলেন আর এখন আওয়ামী লীগকে বলছেন প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে। ’ এদিনের সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য সত্যের অপলাপ এবং মিথ্যাচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করেছে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, এই সরকারের অধীনেই এবং সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইভিএম পদ্ধতি বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ১ কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার বানিয়েছিলেন, সেই জন্য তারা ইভিএম পদ্ধতি চায় না। নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার বিধান অতীতে কখনও ছিল না। তাদেরকে নিয়োগ করা না করা এটা কমিশনের বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।   উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কাজি মনজুর কাদির, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি কলেজের ২০১৭ সালের শিক্ষাবর্ষে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

  • খালেদা জিয়ার বক্তব্ যঅন্ধ আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ : কাদের

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অন্ধ আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জুলুম করছে বলে বিএনপি চেয়ারপার্সন যে মন্তব্য করেছেন তা সঠিক নয়, দেশের মানুষও তা মনে করে না। বরং জুলুম করেছে বিএনপি। এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের উল্লেখ করেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এস এম কিবরিয়া, আহসান উল্লাহ মাস্টার, মমতাজ উদ্দিন, মঞ্জুরুল ইমামের মতো অনেক নেতাকেই হত্যা করা হয়েছে, এ কথাও দেশের মানুষ জানে। ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে, কোন দলীয় সরকারের অধীনে হয় না। তিনি বলেন, পৃথিবীর সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতির দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও ক্ষমতাসীন সরকার নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সব ধরনের সহায়তা করবে। সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে প্রদত্ত বক্তৃতার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সেনা মোতায়েন চায় না- এ কথা সত্য নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশন চাইলে প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন করতে পারে, এতে আওয়ামী লীগের আপত্তির প্রশ্নই ওঠে না। ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনাকে বিএনপি নেত্রীর ক্ষমা করে দেয়া প্রসঙ্গে বলেন, মামলার সাজা থেকে বাঁচার জন্যই তিনি (খালেদা) এ নাটক করেছেন। কারণ, এ মামলা বর্তমান সরকার করেনি, করেছে তার নিয়োগকৃত ফখরুউদ্দীন-মইনউদ্দীনের নেতৃত্বাধীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।   তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষ বরং মনে করে, বেগম জিয়ার ক্ষমা চাওয়া উচিত। কারণ, দেশে নিষ্ঠুর রাজনীতির জন্মদাত্রী হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা হয়েছিল তার আমলেই। দেশের মানুষ এ কথা জানে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতা-কর্মীর রক্তের দাগ বেগম জিয়ার হাতে, দেশের মানুষ একথা ভুলে যায়নি, জুলুম করেছেন তিনি। কিন্তু আজো ক্ষমা চাননি। হাওয়া ভবনে লুঠপাট, জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা এসবই হয়েছে তার (বেগম জিয়া) আমলে। ২০১৩, ’১৪, ’১৫ সালে দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের তাণ্ডব, আগুনে মানুষ পোড়ানো, পেট্রোল বোমা হামলায় মানুষ খুন- এসব এখনো জনগণ ভোলেনি। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, কেন্দ্রীয় নেতা ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং এনামুল হক শামীম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top