• বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তিপেতে আলোচনা করতে পারেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ : ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দলের চেয়ারপার্সন  চাইলে বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। আলোচনার পথ খোলা রয়েছে। আজ রোববার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।সমসাময়িক রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার। তবে তার প্যারোলে মুক্তি চাইলে তা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। জামিনে মুক্তি দেয়ার বিষয়টি আদালতের, সে এখতিয়ার সরকারের নয়।’তিনি বলেন, এর আগে প্রায় ৩০ মামলায় বেগম জিয়া জামিনপেয়েছেন। আর যে মামলায় রায় হয়েছে সে মামলা আমরা করিনি, রায়ও আমরাদেইনি। তাই রায়ের বিষয়ে তারা আইনিভাবে আদালতে এগুতে পারে। এটা পুরোটাই আদালতের বিষয়।আগামী ৭ নভেম্বরের মধ্যে ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আবারো সীমিত পরিসরে সংলাপ করা যেতে পারে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আলোচনার পরিবেশটা ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ,খোলামেলা পরিবেশে তারা কথা বলেছেন।যে যেটা বলতে চেয়েছেন তা তারা অবাধে বলেছেন। এমনকি তাদের কথা সংক্ষেপ করতেও বলা হয়নি। ঐক্যফ্রন্টের নেতারা একেবারে স্বাধীনভাবে তাদের মতামত ব্যক্ত করেছেন। তারা যদি আবারও বসতে চায়, আমরা আবারোচেষ্টা করবো।’সংলাপের মাধ্যমে বরফ গলতে শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, একসঙ্গে বসলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়। ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আবারও ছোট পরিসরে বসাই যায়। তবে সময়বেশি নেয়া ঠিক হবে না। ৭ তারিখের পর সংলাপ হবে কি না তা প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দেবেন।সংলাপ ও আন্দোলন এক সাথে চলতে পারেনা মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনসভা করতে তো কারও কোন বাধা নেই। তবে সংলাপ এবং আন্দোলন একসঙ্গে চলতে পারে না।’সংলাপের মাধ্যমে দুরত্ব কমেছে বলে মনে করেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘দেখুন আলাপ আলোচনার একটি ভাল দিক আছে। সামনাসামনি বসে দেখাদেখিতো হলো, চোখাচোখি হলো। এটাও তো একসময় ছিল না। সেটাতো হলো। আর পরিবেশটা ছিল সৌহাদ্যপূর্ণ এবং খোলামেলা। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের কথা বলার সময় হস্তক্ষেপ করা হয়নি। কাউকে থামিয়ে দেয়া হয়নি। একেবারে স্বাধীনভাবে সেদিন ঐক্যফন্টের নেতারা কথা বলেছেন।

  • জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে অবাধ-অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্যই সংলাপ : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বার বার তাঁকে বিএনপি’র পক্ষ থেকে অপমান করা সত্ত্বেও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে অবাধ ও সকলের অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানে জন্য তিনি ঐ দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সংলাপে বসেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই রকম অপমান তারা করেছে, হয়তো আমরা ভুলতে পারবো না। তারপরও, আগামীতে সকলের অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা দায়িত্ব মনে করে আমরা সংলাপে গিয়েছি।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতির ভাষণে একথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই সকলের অংশগ্রহণে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। এদেশের মানুষকে যাতে ঐ জ্বালাও-পোড়াও- এ ধরনের ঘটনার সম্মুখীন হতে না হয়।’তিনি বলেন, ‘এত অপমান এতকিছু সব সহ্য করেও আমরা শুধু দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে, দেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক, দেশের মানুষ তাঁর ভোটটা শান্তিতে দিতে পারুক, দেশের মানুষ তাঁর মন মত সরকার বেছে নিক- সেই চিন্তাটা করেই আমরা এই সংলাপে বসেছি।’প্রধানমন্ত্রী তাঁর সময়ে দেশের নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় আছি কাজেই আগামীর নির্বাচন যে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ, আমরা সরকারে আসার পরে এই পর্যন্ত ৬ হাজারের বেশি নির্বাচন হয়েছে, এরমধ্যে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন, পৌরসভা নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগের প্রায় ১৫ জন সংসদ সদস্য মারা যাওয়ায় সেসব আসনে উপনির্বাচন হয়েছে। কিন্তু সেসব নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেনি।তিনি বলেন, এক সময় আমরা ৫টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে হেরেছি, সিলেটে হেরেছি, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হবার পরে নির্বাচন কমিশন ২৫৪টি ভোট কেন্দ্রের ভোটের পুনঃতদন্ত করে প্রায় দেড় মাস পর ফল ঘোষণা করেছে, সেখানে আমরা কোনরকম হস্তক্ষেপ করিনি। কারণ, জনগণ ভোটের মালিক, জনগণ ভোট দেবে এবং স্বাধীনভাবে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।এই নির্বাচন কমিশনকে সকল দলের প্রতিনিধি নিয়ে এমনকি বিএনপি’রও প্রতিনিধি নিয়ে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গঠিত সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে গঠন করা হয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘কাজেই এই নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে কোন অভিযোগ থাকার সুযোগ আছে বলে মনে করি না এবং এই সার্চ কমিটি দ্বারা গঠিত নির্বাচন কমিশন প্রতিটি নির্বাচন করেছে স্বচ্ছতার সাথে এবং তাঁরা যা ফলাফল দিয়েছে আমরা সেটাই মেনে নিয়েছি।’তাঁর সরকার জায়গায় যদি বিএনপি ক্ষমতায় থাকতো তাহলে দেশে এত সুষ্ঠুভাবে কি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারতো, তারা কি পরাজয়গুলো মেনে নিত? প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘সিলেট এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে হারার পরও আমরা মেনে নিয়েছি। কারণ, এত উন্নয়ন কাজ করেছি তারপরও যদি জনগণ ভোট না দেয় আমাদের করার কিছু নেই, এটা জনগণের বিচার। তাঁরা যেটা বিচার করবে সেটাই হবে।’দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর পুত্র স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এবং তাজউদ্দিন আহমেদ কন্যা সিমিন হোসেন রিমি স্মরণ সভায় বক্তৃতা করেন।আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ এমপি এবং আবুল হাসনাতও সভায় বক্তৃতা করেন।দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এবং উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতার ঘাতকরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী এবং মুজিব নগরের প্রবাসী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এবং বঙ্গবন্ধুর অপর দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী এএইচএম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে নির্মমভাবে হত্যা করে। প্রধানমন্ত্রীর এদিনের ভাষণে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ১৯৭৫ এর ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নিহত জতীয় চারনেতার অবদানের প্রসঙ্গ উঠে আসার পাশাপাশি তাঁর সম্প্রতিক জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং যুক্তফ্রন্ট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সংলাপ প্রসঙ্গ ঘুরে ফিরে আসে।জিয়াউর রহমানের ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করে জাতির পিতার বিচারের পথ রুদ্ধ করা, খুনীদের পুরস্কৃত করে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরী প্রদান, সেই খুনীদেরকেই আবার ১৫ই ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার সংসদে নিয়ে আসা, রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানানো, জিয়ার সময়ে ১৯টি ক্যু সৃষ্টি করে সশস্ত্র বাহিনীর শত শত সদস্য হত্যা এবং ২০০১ সাল পরবর্তী বিএনপি-জামায়াতের দু:শাসনের প্রসংগও উঠে আসে। অতীতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংলাপের প্রচেষ্টা চালাতে গিয়ে খালেদা জিয়া এবং বিএনপি’র অমানবিক আচরণের প্রসংগ তোলেন তিনি।একটা নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হোক তাঁর সরকারের এটাই প্রত্যাশা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সামনে নির্বাচন সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন আমাদের কাছে ঐক্যফ্রন্ট (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) চিঠি দিল দেখা করতে চান, আমি সাথে সাথে স্বাগত জানাই। অনেক ব্যস্ততার মাঝে, এমনকি ময়মনসিংহে জনসভা করে এসেও সংলাপে সময় দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারাই দেখা করতে চাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্ট এবং যুক্তফ্রন্ট-দুটি গ্রুপের সাথে মিটিং হয়ে গেছে। এরপর অন্যদের সঙ্গেও আমরা সংলাপ করবো। তারা আলাপ করতে চেয়েছেন, সংলাপ করতে চেয়েছেন, আমরা করেছি।’সংলাপ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সুন্দর পরিবেশেই আলোচনা হয়েছে। তারা যেসব দাবিদাওয়া দিয়েছে যেসব দাবি আমাদের পক্ষে মেটানো সম্ভব আমরা বলেছি আমরা করবো, তারা রাজবন্দীদের মুক্তি চান- আমরা রাজবন্দিদের তালিকা চেয়েছি।’তাদের বিরুদ্ধে যদি কোন খুনের মামলা না থাকে, কোন ক্রিমিনাল অফেন্স না থাকে তাহলে অবশ্যই বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়ে তাঁর সরকার কাউকে রাজবন্দি করে নাই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, ‘আমরাতো কাউকেই রাজনৈতিক কারণে কোন রাজবন্দি করি নাই। তাই যদি করতাম তাহলে খালেদা জিয়া যখন ২০১৫ সালে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা শুরু করলো তখনই তাকে গ্রেফতার করতে পারতাম। সেটাওতো আমরা করি নি।’প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন এবং তারেক রহমানের মামলার প্রসঙ্গে বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা এবং তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা তাঁর সরকার করেনি বরং তাদেরই আপনজন তাঁদের বানানো রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ, সেনাপ্রধান মইনউদ্দিন এবং তাদের বানানো বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফখরুদ্দিন সাহেবরা। প্রধানমন্ত্রী এসব মামলার দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপি’র উপদেষ্টা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মইনুল হোসেনের ভূমিকা থাকারও উল্লেখ করেন।শেখ হাসিনা বলেন, তাদের দেওয়া এই মামলা ১০টি বছর ধরে চলেছে, আর সরকারের কোন দুরভিসন্ধি থাকলে এই একটা মামলা শেষ হতেতো আর ১০ বছর লাগার কথা নয়।তিনি বলেন, বিচার বিভাগ এখন স্বাধীন সেই স্বাধীন বিচার বিভাগে ১০ বছর ধরে যে মামলা চলেছে সেই মামলার রায় হয়েছে সেই মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত (খালেদা জিয়া)। আর তারেক জিয়ার জন্য আমেরিকার এফবিআই এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে এবং খালেদা জিয়ার কয়েকটি মামলায় তারা সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত হয়ে আছে।শেখ হাসিনা বলেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবেও প্রমাণিত যে, এরা দুর্নীতিতে জড়িত। সেখানে আমাদের কি করণীয় রয়েছে।’সংলাপের বৃত্তান্ত তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় দুই ঘন্টা এই জোটের যারা তারা কথা বলেছেন। এরপর আমাদের পক্ষ থেকে কথা বলা হয় এবং সমাপ্তির জন্য যেটুকু বলার আমি শুধু সেটুকুই বলেছি।তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি কোনটা কোনটা আমরা করতে পারি, কোনটা নির্বাচন কমিশনের, কোনটা রাষ্ট্রপতির এবং কোনটা কিভাবে করা যায় আমরা সেইভাবে সমাপ্তি টেনে অনেকগুলি দাবি আমরা মেনেও নিয়েছি।’প্রধানমন্ত্রী সংলাপের মাঝেই আন্দোলনের হুমকি দেয়ায় বিএনপি নেতৃবৃন্দের সমালোচনা করে বলেন, ‘যখনই এই আলোচনা চলছে তখনই দেখলাম আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়, তাহলে একদিকে আলোচনা করবে আর একদিকে আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া, তাহলে এটা কি ধরনের সংলাপ আর কি ধরনের কথা আমাদের কাছে এটা বোধগম্য নয়।’ জানিনা জাতি ও দেশবাসী এটা কিভাবে নেবেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার হত্যাকান্ডের বিচার করেছি, যুদ্ধাপরাধের বিচার চলছে এবং অনেক মামলার রায় ও কার্যকর হয়েছে এবং ৩রা নভেম্বর জেল হত্যাকান্ডের বিচার চলছে এরমধ্য দিয়ে বাংলাদেশ শাপমুক্ত হয়েছে। কিন্তু এখন বাংলাদেশে কিছু লোক রয়ে গেছে কারণ বাংলাদেশের জনগণ যখন ভালো থাকে, বাংলাদেশের মানুষের ভেতর যখন স্বস্তি আসে, বাংলাদেশের মানুষ যখন খেয়েপড়ে একটু সুখের মুখ দেখতে শুরু করে তখনই তাদের মনে অনেক যন্ত্রণা শুরু হয়, বাংলাদেশের মানুষ ভাল থাকলে এই শ্রেণীটার ভাল লাগে না, যোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, তারা এই মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, অগ্নি সন্ত্রাস-কি তান্ডব করেছে এই বাংলাদেশে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে হত্যার চেষ্টা, ২১ জানুয়ারি চট্টগ্রামে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালায় এবং এরজন্য যে পুলিশ কর্মকর্তা দায়ী তাকেই খালেদা জিয়া নিয়ে একটার পর একট প্রমোশন দিয়ে পুরস্কৃত করেছিলেন।তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট হত্যার সঙ্গে জিয়ার যে সম্পৃক্ততা আছে সেটাতো ফারুক, রশিদের স্বীকারোক্তিই রয়েছে।এতকিছুর পরেও দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা অব্যাহত রাখার স্বার্থে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অতীতে সমঝোতার পদক্ষেপ নেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এত বারবার আমার ওপর আঘাত এতবার হত্যার প্রচেষ্টা, তারপরেও আমি শুধু দেশের মানুষের কথা বিবেচনা করে, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাটা অব্যাহত রাখার জন্য এবং দেশের মানুষের আর্থসামাজিব উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য আমি নিজে টেলিফোন করি।’ ‘আমার ফোন ধরেননি, বার বার চেষ্টা করি। তারপর আমার এডিসি এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তাকে দিয়ে ফোন করিয়ে চেষ্টা করেছি। ফোনতো ধরেনইনি বরং ভদ্রতার খাতিরেও একটা পাল্টা ফোন করেননি। সেই ভদ্রতাটুকুও আমি পাইনি। একটা সময় দেওয়া হয়েছিল যে সে সময় ফোন করলে খালেদা জিয়া ফোন ধরবেন, কিন্ত ধরেননি,’যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে তাঁর একাধিক ফোনের পর খালেদা জিয়া একবার ফোন ধরলেও তাকে অপমান করেছিলেন উল্লেখ করে বলেন, ‘অবশেষে ফোন করার পর যে ঝারি টারি খেলাম তা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে, যে আচরণ পেলাম।’ তিনি বলেন, তারপরেও আমি কেন করেছি, কারণ তারা যেন এই জ্বালাও পোড়াও, মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা বন্ধ করে, তারা যেন এই ধরনের পথে না যায়। কারণ সাড়ে ৩ হাজারের মত মানুষ তারা আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে।সরকার প্রধান বলেন, প্রায় ৫শ’এর মত মানুষ তারা হত্যা করেছে, ৩ হাজার গাড়ি পুড়িয়েছে, ৫৮২টি স্কুল পুড়িয়েছে, ৭৯টি সরকারী অভিস পুড়িয়েছে, ৬টি ভূমি অফিস পুড়িয়েছে, ২৮-২৯ জনের মত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে হত্যা করেছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুড়িয়ে দিয়ে সেখানে বিদ্যুতের প্রকৌশলীকে ফেলে দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, স্বুলগামী শিশু, এসএসসি পরীক্ষার্থীরাও পেট্রল বোমা থেকে রেহাই পায়নি।তিনি তাদের চিকিৎসা ও পুনবার্সনে সম্ভাব্য সব রকামের পদক্ষেপ নিয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, এরপর জনগণ যখন রুখে দাঁড়িয়েছে তখন তারা থেমেছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি এ সময় ২০০১ নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি’র সন্ত্রাস তুলে ধরে বলেন, তারা হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে, বাড়িঘর পুড়িয়েছে, তাঁদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। ক্ষমতায় থাকার সময় তারা ৫শ’ জায়গায় বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা, ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশ সহ সিলেটে দুই দুইবার গ্রেনেড হামলা, সুনামগঞ্জে গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলা- সারা বাংলাদেশে এভাবে একটা হত্যাযজ্ঞ চালিয়েই তারা যেন আনন্দিত হয়, ফূর্তি করে- এরকমই মনে হয়েছে আমার কাছে। এটাই কি তাদের রাজনীতি- এই প্রশ্ন উত্থাপন করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এইভাবে যারা দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছে তারপরেও আমি খালেদা জিয়ার ছেলে যখন মারা গেল, তিনি যখন অফিসে বসা, তিনি যখন হুমকি দিয়েছেন আমাদের সরকারকে উৎখাত না করে ঘরে ফিরবেন না, তখন আমি একজন মা হিসেবে অপর একজন ছেলেহারা মা’কে গিয়েছিলাম সমবেদনা জানাতে।’ ‘আপনারা জানেন, কিভাবে মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিল, আমাকে ঢুকতে দিল না। বড় গেট খুলবে না, গাড়ি ঢুকতে দেবে না, আমি বললাম ঠিক আছে ছোট গেট দিয়েই আমি যাব। সে গেটও বন্ধ করে দিল।’

  • জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং চার জাতীয় নেতার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং চার জাতীয় নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।চার জাতীয় নেতার স্মৃতির উদ্দেশ্যে তিনি আজ সকালে ধানমন্ডী ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ম্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।সকাল ৭টায় শেখ হাসিনা প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন।শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের পরে মহান জাতীয় নেতৃবৃন্দের সম্মানে তিনি সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।পরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা দলের কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন।আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু,তোফায়েল আহমেদ ও এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, এডভোকেট সাহারা খাতুন, ড.আবদুর রাজ্জাক ও আবদুল মতিন খসরু, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এএফএম বাহাউদ্দিন নাসিম ও এনামুল হক শামীম এবং দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এবং দলের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।পরে আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, যুব মহিলা লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি অন্যান্য সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বঙ্গবন্ধু ও চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতার ঘাতকরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরেমুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে নির্মমভাবে হত্যা করে।মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার হাতে আটক বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে জাতীয় এ চার নেতা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দান করে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন।

  • প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের আশ্বস্ত করেছেন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, তাঁর সরকার নির্বাচনে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। আজ রাতে গণভবনে ১৪ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে আমরা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আশ্বাস দিচ্ছি। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের বলেছেন, নির্বাচন কমিশনে সরকার কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। বরং নির্বাচন কমিশন যদি চায় তাহলে সহযোগিতা করা হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের প্রধানমন্ত্রী অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিয়েছেন। সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন প্রসঙ্গে কোন আলোচনা হয়েছে কিনা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, “ড. কামাল হোসেনকে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর চিঠির উত্তরে একটা বিষয় লেখা ছিল-গণতন্ত্রের স্বার্থে সংবিধান সম্মত সব বিষয়ে আলোচনা হবে। পৃথিবীর কোন গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া হয় না। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশেও নির্বাচনের সময় সংসদ বহাল থাকে। তফসিল ঘোষণার পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে যায়। প্রধানমন্ত্রী তাদের একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিয়েছেন।” ওবায়দুল কাদের বলেন, “অত্যন্ত খোলামেলা পরিবেশে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আলোচনা হয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের নেতারা যে যা বলতে চেয়েছেন, তারা তা নির্দ্বিধায় বলেছেন। একেকজন তিন-চার বার করেও বক্তব্য রেখেছেন। কেউ তাদের বাধা দেননি। নেত্রী তাদের বক্তব্য মনযোগ দিয়ে শুনেছেন। তাদের কিছু অভিযোগ ছিল, আমরা ভদ্রচিতভাবে এগুলোর জবাব দিয়েছি। আমাদের সিনিয়র নেতারাও এ সময় বক্তব্য রেখেছেন।” তিনি বলেন, আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। কিছু কিছু বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তাদের পরিস্কার বলে দিয়েছেন সভা, সমাবেশ ও মতপ্রকাশে কোন বাধা দেয়া হবে না। তবে কেউ যেন রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ না করেন। ঢাকার ব্যাপারে বলেছেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি কর্ণার করে দেয়া হবে, যেখানে ভাড়ার বিনিময়ে সবাই সমাবেশ করতে পারবেন। এই টাকাটা নেয়া হবে সমাবেশ পরবর্তী সময়ে পরিচ্ছন্নতার জন্য। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঐক্যফ্রন্টের আরেকটি দাবি ছিল বিদেশী পর্যবেক্ষকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সুযোগ দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এ ব্যাপারে কোন আপত্তি নেই। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) বিষয়ে কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা এই প্রযুক্তির ব্যবহারকে সমর্থন করি। তবে নির্বাচন কমিশন আগামী নির্বাচনে সীমিত আকারে ইভিএম ব্যবহার করবে।’ রাজনৈতিক মামলার ব্যাপারে প্রশ্ন উঠেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘আপনারা রাজনৈতিক মামলাগুলোর তালিকা দিন।’ খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটি আদালতের বিষয়, সংলাপে এটা আসতে পারে না। যে দুটি মামলায় সাজা হয়েছে, এগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিয়েছে। আমাদের সরকার এই মামলা দেয়নি। আমাদের নেত্রীর বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা ছিল। এগুলোর প্রত্যেকটির তদন্ত হয়ে কিছু না পেয়ে প্রত্যাহার করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী প্রসঙ্গে আলোচনায় ড. কামাল হোসেন সাহেবকে প্রশ্ন করা হয়েছে, ৭৩ সাল থেকে আপনিও অনেকগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। একমাত্র ২০০১ সালে ছাড়া আর কোন নির্বাচনে কি সেনাবাহিনীর বিচারিক ক্ষমতা ছিল?’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আলোচনায় বেশ কিছু অগ্রগতি রয়েছে। ড. কামাল হোসেন সাহেব আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তিনি আলোচনায় সন্তুষ্ট। এখানে এসে এমন অনেক কিছু জানতে পেরেছেন, যা আগে তিনি জানতেন না।’

  • চার নভেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)

    বঙ্গভবনে আজ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাতের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তফসিলের তারিখ নিয়ে কোন আলোচনা হয়নি। আগামী চার নভেম্বর কমিশনের বৈঠক রয়েছে। এ বৈঠকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সম্পর্কে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ওই দিনই নির্বাচনের দিন-তারিখ ঠিক করা হবে।’ চলমান রাজনৈতিক সংলাপে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিকল্পনায় কোন প্রভাব পড়বে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘চলমান রাজনৈতিক সংলাপে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনায় কোন প্রভাব পড়বে না। ইসির সকল প্রস্তুতি রয়েছে। ইচ্ছে করলে ৭ দিনে মধ্যেই নির্বাচন করা সম্ভব।’ তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা হয়েছে। ভোটার তালিকা, ভোট কেন্দ্রসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন এবং ইসির প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে কে এম নুরুল হুদা বলেন, ‘সংবিধানে যেভাবে বলা আছে সেভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে, সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে ইসি আশাবাদী।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, বিএনপি’র গঠনতন্ত্রের ব্যাপারে হাইকোর্টের নির্দেশনা কমিশনে পৌছেছে। এ ব্যাপারে কমিশন সভা করে সিদ্ধান্ত নেবে। সিইসি কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এবং ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

  • জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশন(ইসি) কে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক প্রয়াস অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি এ নির্দেশনা দেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন বাসসকে বলেন, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সজাগ থাকার জন্য ইসিকে পরামর্শ দেন।’ রাষ্ট্রপতি হামিদ ইসি ও সংশ্লিষ্টদের নির্বাচনের কার্যক্রমে যেকোন ধরনের বিতর্ক এড়িয়ে চলারও পরামর্শ দেন। একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলের সমর্থন ও সহযোগিতায় অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। প্রেস সচিব বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সংসদীয় সীমানা পুনর্র্নিধারণ এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার খুঁটিনাটিসহ আগামী জাতীয় সংসদের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে সিইসি রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী, নির্বাচন কমিশন সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ ও রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, পরে সিইসি বঙ্গভবনের ফটকের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। এখানে তিনি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসি’র বৈঠককে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আগামী সাধারণ র্নিাচনের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত করার জন্য ইসি ৪ নভেম্বর বৈঠকে বসবে। আমরা নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেছি মাত্র।’ সিইসি বলেন, বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতির ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

  • উত্তরঅঞ্চলের মধ্যপাড়া পাথর খনিতে পাথর উত্তোলন ব্যাপক বৃদ্ধি পেলেও বিক্রয় কম

    বাংলাদেশের উত্তরঅঞ্চলের দিনাজপুরের পূর্বঅঞ্চলের মধ্যপাড়ায় এক মাত্র পাথর খনি। মধ্যপাড়ার পাথর খনিতে পাথর উত্তোলন ব্যাপক বৃদ্ধি পেলেও উত্তোলনকৃত পাথর বিক্রয় কমে যাওয়ায় কোম্পানিটি অর্থনীতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। উন্নয়নের ধারবাহিকতার অন্যতম অংশীদার জার্মানীয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) বর্তমানে দেশের একমাত্র মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি থেকে প্রতি মাসে ১ লক্ষ ২৩ হাজার টন পাথর খনির ভূ-গর্ভ থেকে উত্তোলনের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।গত অক্টোবর-২০১৮ ইং সালে পাথর উত্তোলনের নয়া রেকর্ড তৈরী হলেও পাথর বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অব্যবস্থার জন্য বর্তমানে খনি এলাকার ৯ টি স্টক ইয়ার্ডে প্রায় ৩ লক্ষ মেট্রিক টন পাথর অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। যার দেশিও বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৭০-৮০ কোটি টাকা।মধ্যপাড়া খনি সুত্রে জানা গেছে যে , জিটিসি কোম্পানীটি বিগত মাস গুলোতে প্রতিমাসে লক্ষাধিক টন পাথর উত্তোলন করলেও মধ্যপাড়া পাথর খনি (এমজিএমসিএল) কর্তৃপক্ষ গড়ে ৫০ শতাংশ পাথরও বিক্রি করতে সক্ষম হচ্ছে না বলে জানা যায়। প্রধানত বর্তমান মৌসুম পাথর বিক্রির জন্য সবচেয়ে ভালো সময়। তৎসত্বেও দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথর খনি কর্তৃপক্ষের বিক্রয় নীতি, বাজার উপযোগী না হওয়ার ফলে প্রতি মাসে ১০ কোটি টাকা আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কোম্পানীটি।এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, গত ২০১৫ ইং সালের মাঝামাঝি সময়ে মধ্যপাড়া পাথর খনি কর্তৃপক্ষের অদক্ষ বিপনন ব্যবস্থার কারনে পাথর খনির ৯ টি ইয়ার্ডে প্রায় ৭ লক্ষ টন পাথর অবিক্রিত থাকার দরুন উদ্ভুদ পরিস্থিতির জন্য দেশের একমাত্র পাথর খনিটি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে অবিক্রিত পাথরের স্তুপ ক্রমবর্ধমান হারে বাড়তে থাকলে পাথর খনিটি আবারো বন্ধের মুখে পড়তে পারে। এমতবস্থায় খনির উপর নির্ভরশীল শ্রমিক ও এলাকাবাসীগণ প্রত্যক্ষভাবে জীবন ও জীবিকা নির্বাহে অপূরনীয় ক্ষতির সন্মুখীন হতে পারে। সরকার এল.জি.ই.ডি, ফ্যাসিলিটিস ডিপাটমেন্ট (শিক্ষা), গণর্পূত বিভাগ, সড়ক ও জনপদ বিভাগ ও সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলি কে যদি মধ্যপাড়ার পাথর ব্যবহার করার জন্য বাধ্য করতেন তাহলে একদিকে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পেত অন্যদিকে দেশিও টাকা দেশেই থাকত এবং ঐ কোম্পানীটি ক্ষতিগ্রস্ত হতো না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ঐ প্রতিষ্ঠানগুলির কাজে পঞ্চগড়ের ভাঙ্গা পাথর এবং ভারত থেকে আমদানী করা পাথর সরকারী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানগুলি, কলেজ ও বড় বড় ব্রীজ কালভাট গুলি নিমার্ণ কাজে পঞ্চগড়ের পাথর এবং আমদানী করা পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। মধ্যপাড়ার পাথর ৫০ ভাগ ব্যবহার করা হচ্ছে না এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে। কাজেই মধ্যপাড়া পাথর খনিটি দিন দিন অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপাড়া পাথর খনিটিকে সঠিক বিক্রয় নীতি প্রনয়ন করে পাথর খনিটিকে লাভজনক করতে জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন এলকাবাসী।

  • মধুখালীতে জাতীয় যুব দিবসে আলোচনা সভা

    “জেগেছে যুব গড়বে দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে সারা দেশের ন্যায় জাতীয় যুব দিবস উপ লক্ষ্যে ফরিদপুরের মধুখালীতে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা চত্ত্বর থেকে র‌্যালী বের হয়ে উপজেলা সদরের ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক প্রদক্ষিন করে চত্ত্বরে শেষ হয়। র‌্যালী পরবর্তী উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা মনোয়ারের সভাপতিতে ¡ ও সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) মোঃ মনজুর হোসেন,উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন,সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শিরিন শারমিন খান,সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দিন মোল্যা ও সফল টার্কি খামারী মোঃ কিবরিয়া । অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সুষেণ কুমার বালা।

  • কাহারোল উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন হওয়ায় আনন্দ র‌্যালী

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ১ নভেম্বর কাহারোল উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে কাহারোল উপজেলা প্রশাসন ও দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আয়োজনে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালী উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। আনন্দটি র‌্যালীটির নেতৃত্ব দেন প্রধান অতিথি দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল। র‌্যালী শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাসিম আহমেদ এর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় কাহারোল উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের শুভ উদ্বোধন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র প্রতি দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর রশীদ চৌধুরী, দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী হরেন্দ্র নাথ বর্মন, উপজেলা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এ,কে,এম ফারুক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউর রহমান, কাহারোল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আইয়ুব আলী, দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জোনাল ম্যানেজার দিলীপ কুমার বর্মন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা অরুন কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।

  • কাহারোল জাতীয় যুব দিবস পালিত

     “জেগেছে যুব গড়বে দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস পালিত। দিবসটি পালন উপলক্ষে সকাল ১১ টায় এক যুব র‌্যালী উপজেলা চত্বর থেকে বের করা হয়। র‌্যালীটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কাহারোল উপজেলা হল রুমে এসে শেষ হয়। র‌্যালীটির নেতৃত্ব দেন প্রধান অতিথি দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল। র‌্যালী শেষে উপজেলা । আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর রশীদ চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ তারেক হোসেন, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এ,কে,এম ফারুক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউর রহমান, কাহারোল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আইয়ুব আলী, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা অরুন কুমার বিশ্বাস প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে যুবদের মাঝে সনদ পত্র ও একটি করে অর্জুন গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

  • আওয়ামী লীগ পুনর্র্নিবাচিত না হলে উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হবে :প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশংকা প্রকাশ করে বলেছেন, আগামীতে তাঁর দল পুনর্র্নিবাচিত না হলে দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হবে। দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে, আর নির্বাচনও ঘনিয়ে এসেছে। আমি জানি না অন্যকোন দল ক্ষমতায় আসলে কি হবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পার্লামেন্টারি ফর্ম অব ডেমোক্রাসিতে আছি। আগামীতে বাংলাদেশের মানুষ যদি ভোট দেয় তাহলে আমরা আমাদের লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে সক্ষম হব।’ ‘আর যদি না দেয় তাহলেও আমাদের সবসময় একটা প্রচেষ্টা থাকবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তারপরে কি হবে আমি বলতে পারছি না,’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ঢাকা চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর ৬০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এবং এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিথির বক্তৃতা করেন। ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাশেম খান স্বাগত বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে ডিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে ‘ভিশনারী লিডারশিপ’ এওয়ার্ডে ভূষিত করা হয়। সরকার প্রধান বলেন, ’৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আমরা ক্ষমতায় ছিলাম। তখনও বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছিলাম, স্বাক্ষরতার হার বাড়িয়েছিলাম, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য যখন আবার ৭/৮ বছর পর সরকার গঠন করলাম তখন দেখলাম সবকিছু পিছিয়ে গেছে। তিনি বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ, ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, গ্রেনেড হামলা, তখন দু’টো সরকার ছিল একটা হলো হাওয়া ভবন আর একটা প্রধানমন্ত্রীর দফতর। এসব জায়গায় খুশী না করলে ব্যবসা পাওয়া যায় না। সব জায়গাতেই এরকম একটা অবস্থা ছিল। তিনি সরকার গঠনের পর পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধীরে ধীরে আমরা সবকিছুকে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসি এবং দেশটা যাতে এগুতে পারে সেই ব্যবস্থা করে দেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আজকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি এবং আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থা বাংলাদেশের প্রশংসা করে যাচ্ছেন, আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। শেখ হাসিনা বলেন, প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপারস বলছে- বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৮তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০৫০ সালের মধ্যে নেদারল্যান্ডস, অষ্ট্রেলিয়া, স্পেন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াকে অতিক্রম করে বিশ্বের ২৩ তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি চাই আপনারা এটা মাথায় রেখেই ব্যবসা-বাণিজ্য করবেন। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু কৃষির ওপর নির্ভর না করে দেশে শিল্পায়ন যাতে হয়, সেদিকে আমরা দৃষ্টি দিয়েছি। খাদ্যের যোগানে কৃষির প্রয়োজন রয়েছে। ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারও কাজ করতে হবে। এ লক্ষ্যে আমরা বেসরকারি খাতকে গুরুত্ব দিয়েছি। কারণ, বেসরকারি খাতই পারে বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে, উন্নত করতে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঢাকার অনেক জায়গায় ডিজিটাল টেলিফোন ছিল না। আমরা এসে সব এলাকায় ডিজিটাল টেলিফোনের ব্যবস্থা করি। হেলিকপ্টার, টেলিভিশন, রেডিও এগুলো এখন বেসরকারি খাতে। একটাই উদ্দেশ্য যাতে বেসরকারি খাতে মানুষের কর্মসংস্থান হয়।’ শিল্পকে বহুমুখী করায় তাঁর সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে দেশব্যাপী একশ’ অর্থনৈতিক অঞ্চল করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তিনি বলেন, তবে দেখতে হবে কোন অঞ্চলে কোন জিনিসের উৎপাদন বেশি হয় এবং দেশে বিদেশে তার কেমন চাহিদা রয়েছে। সেটাকে বিবেচনায় নিয়েই আমাদের শিল্পায়ন করতে হবে, উৎপাদন করতে হবে এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে হবে। তাহলেই আমাদের শিল্পের বিকাশ হবে। রফতানি বহুমুখীকরণের তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বাঙালিদের অভ্যাস কেউ কোন একটা জায়গায় সফলতা পেলেই, সবাই তাকে অনুসরণ করে সেই কাজে নেমে পড়ে। একটা সময় দেখা যায়, ওই কাজের আর মূল্য থাকছে না। সেটা না করে বহুমুখীকরণে মনোযোগ দিতে হবে। আমাদের রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণ করতে হবে। বিশ্ব চাহিদার চিন্তা মাথায় রেখে নতুনভাবে পরিকল্পনা করে উৎপাদন করতে হবে।’ অর্থনৈতিকভাবে দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য যা যা করার দরকার তাঁর সরকার তা করে যাচ্ছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, বিনিয়োগের জন্য বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি। ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন করার চেষ্টা চলছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে। দেশের রফতানি আয় বেড়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়বে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে ৮ দশমিক ৫ ভাগ প্রবৃদ্ধিও লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যকে সম্প্রসারিত হবে। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সহযোগিতা দরকার।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ব্যবসা বুঝি না। আমার কাজ ব্যবসার সুযোগ করে দেয়া, সম্ভাবনাগুলোকে জাগিয়ে দেয়া।’ তিনি বলেন, গ্রামের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন যাতে হয় সেইদিকেও আমরা মনোযোগী। ব্যবসা-বাণিজ্য গ্রাম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগুচ্ছি। গ্রামের তৃণমূল মানুষটা যেন আর্থিকভাবে সক্ষম হয়। শুধু নিজের দেশ না আঞ্চলিক-উপ আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়টিও মাথায় রেখেছি আমরা।

  • পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করতে শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের

    সাধারণ মানুষকে কষ্ট না দিয়ে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করতে শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আইন পরিবর্তন করার কোন সুযোগ নেই। পরবর্তী পার্লামেন্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। একটু ধৈর্য্য সহকারে তারা অপেক্ষা করবেন, এর মধ্যে কোন ন্যায়সঙ্গত বিষয় থাকে তাহলে পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনা করা হবে। ধর্মঘট প্রত্যাহার করুন, মানুষকে কষ্ট দিয়ে কোন লাভ নেই । আজ রোববার রাজধানীর বনানীস্থ সেতুভবনে ইউরোপিয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনসে টিরিংকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামীকাল পার্লামেন্টের অধিবেশন শেষ হবে। এরপর পার্লামেন্টের কোন সদস্য ক্ষমতা প্রয়োগ অথবা কোন কাজ করতে পারবে না। এমনকি নির্বাচন বিধির আচারণ সবাইকে সমানভাবে মানতে হবে। ঐক্যফটের দেয়া ৭ দফা দাবির জবাবে তিনি বলেন, তারা ৭ দফা দাবি দিয়েছে। এই মুহূর্তে ৭ দফা মেনে নিতে হলে সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে। যা কোন অবস্থাতেই সম্ভব না। কাজেই এই দাবির ব্যাপারে তারা যদি স্ট্রাইক করেন, অনড় থাকেন তাহলে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি হতে পারে। ওবায়দুল কাদের বলেন, যেখানে একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বিরাজ করছে, যেটা তাদের দরকার একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, এছাড়া নতুন করে নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠনের কোন সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাষ্ট্রপতি একটি সার্চ কমিটি গঠন করে সকল দলের প্রতিনিধিকে নিয়ে ইলেকশন কমিশন গঠিত হয়েছে। কাজেই এটা পরিবর্তন করার কোন সুযোগ নেই। তার পরও যদি পরিবর্তন চায় তাহলে আসলে ইলেকশন চায় কিনা সেটাও আমাদের বড় প্রশ্ন। তাদের সাত দফার মধ্যে যে দাবি আছে সেগুলো এই মুহূর্তে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

  • সংসদ অধিবেশন মুলতবি

    সংসদের বৈঠক আগামীকাল ২৯ অক্টোবর সোমবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এ মুলতবি ঘোষণা করেন।

  • গোপালগঞ্জে বশেমুরবিপ্রবি ক্যাম্পাস ফের অশান্ত আজও, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

    গোপালগঞ্জে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল বুধবার রাতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়ক অবরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। তারা বুধবারের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধের সময় একটি মোটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং সোবহান সড়কে অবস্থিত বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার বিকেলে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে তিন ঘণ্টা ব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো: নজরুল ইসলাম জানান, শুধু ফুটবল খেলাকে নিয়ে নয়, পুকুর পাড়ে থাকা বহিরাগতরা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে বুধবার এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অবশ্য দায়িত্ব নিয়ে এ বিষটির ব্যাপারে কেউ কিছু বলেনি। আর এ নিয়ে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ১০-১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।স্থানীয়রা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানোসহ দুটি মোটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা অবধি এই তান্ডব চলতে থাকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে আনে।বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় এলাকায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো: মনিরুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি এখন অনেকটা শান্ত রয়েছে। কোনো পক্ষ থেকে এখনো মামলা দায়ের করা হয়নি। এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও গোবরা ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমঝোতার বৈঠক চলছিল।

  • গোপালগঞ্জে ২০ ও ২১ জুলাই সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু

    গোপালগঞ্জে শুরু হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব। আগামী ২০ ও ২১ জুলাই গোপালগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে এ সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। ২০ জুলাই আলোচনা সভা, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুল সংগীত, আধুনিক গান, একক আবৃত্তি এবং ২১ জুলাই পল্লীগীতি, লালনগীতি, মুর্শিদী, জারি, সারি, কবিগান ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণকারীদের মধ্য থেকে বিজয়ীদের প্রশংসাপত্র দেওয়া হবে।এ ছাড়া ওই দিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলা এসব অনুষ্ঠানের ফাঁকে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড প্রজেক্টরের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের দেখানো হবে। এ উপলক্ষে গোপালগঞ্জ সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল্লাহেল বাকী, সহকারী পুলিশ সুপার মো: মাসুদুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: শাম্মি আক্তার, সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মো: মঈন আহম্মেদ, রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এস এম নজরুল ইসলামসহ জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top